ঢাকা , শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬ , ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কী করতে পারেন, কী পারেন না? শপথ নিতে যাওয়া ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী কে কোন মন্ত্রণালয়ে কারা মহাপরিদর্শকের বদলি নিয়ে অপপ্রচার, জাতিসংঘ মিশনে নতুন দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা কতটুকু, বেতন–ভাতাসহ যেসব সুবিধা পান রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি ৬ এমপি সংশোধন হবে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরাসরি ভোটের মুখোমুখি মির্জা ফখরুল ও অলি আহমেদ ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়েছেন দীপু মনি অবশেষে বিএনপির রাষ্ট্রপতি পদে মনোনোয়ন পেলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০ আগস্ট শিক্ষার্থীদের সাথে উৎসবমুখর পরিবেশে ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলায় বইপড়া কর্মসূচীর শুভসূচনা। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাহিত্য আড্ডা রং ফর্সাকারী ৮ ব্র্যান্ডের ক্রিমে বিপজ্জনক মাত্রায় ক্ষতিকর উপাদান থাকায় বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা অত্যাচারের ছবি যেন আর তুলতে না হয়, সেই সমাজ গড়তে হবে: আলাল ‘গুলশানের চামেলি’তে ভিন্ন রূপে এডলফ খান, অভিনয় করবেন যৌনকর্মীর দালাল চরিত্রে সারজিস-পাটোয়ারীসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ গুলশান থেকে সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ‘স্কুটি নাকি গোল্ড?’ ক্যাম্পেইনের বিজয়ীদের পুরস্কৃত করল এসিআই-এর ফ্রিডম ব্র্যান্ড, বাড়ল ক্যাম্পেইনের মেয়াদ

ভারতে করাচি বেকারিতে বিজেপি কর্মীদের ভাঙচুর

  • আপলোড সময় : ১২-০৫-২০২৫ ০৬:৪৪:৩৬ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১২-০৫-২০২৫ ০৬:৪৪:৩৬ অপরাহ্ন
ভারতে করাচি বেকারিতে বিজেপি কর্মীদের ভাঙচুর
ভারত ও পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতির কয়েক ঘণ্টা আগেই সহিংসতার আরেকটি নজির গড়েছে হায়দ্রাবাদে করাচি বেকারি। শনিবার (১০ মে) স্থানীয় সময় বিকেল ৩টার দিকে তেলেঙ্গানার হায়দ্রাবাদ শহরের শামশাবাদ এলাকায় অবস্থিত বেকারিটির এক আউটলেটে হামলা চালায় ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) কর্মীরা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়্যার।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে প্রতিবেদনে জানানো হয়, হামলাকারীরা গেরুয়া শাল পরে করাচি বেকারিতে প্রবেশ করে এবং লাঠি দিয়ে সাইনবোর্ড ভাঙচুর করে। লক্ষ্য ছিল মূলত ‘করাচি’ লেখা অংশটি। তারা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয় এবং পাকিস্তানি পতাকা পদদলিত করে।

ঘটনার ভিডিও ফুটেজে স্পষ্ট দেখা যায়—সাইনবোর্ডে বারবার আঘাত করা হচ্ছে এবং দোকানের সামনে জড়ো হয়ে স্লোগান দেওয়া হচ্ছে। দোকান কর্তৃপক্ষ পরে পুলিশকে অবহিত করে।

প্রসঙ্গত, করাচি বেকারি ভারতের হায়দ্রাবাদে ১৯৫৩ সালে যাত্রা শুরু করে। এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন পাকিস্তানের করাচি শহর থেকে ভারতে চলে আসা এক ব্যক্তি। তাঁর শিকড়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দোকানটির নাম রাখা হয় ‘করাচি বেকারি’।

যুদ্ধবিরতি বা সীমান্ত উত্তেজনার সময় প্রায়শই এই প্রতিষ্ঠানটি চরমপন্থীদের আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হয়ে ওঠে। এর আগে বহুবার দোকানটির নাম পরিবর্তনের জন্য চাপ দেওয়া হলেও কর্তৃপক্ষ সেটি প্রত্যাখ্যান করেছে।

বিপজ্জনক এই জাতীয়তাবাদী হঠকারী আচরণ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন বিশ্লেষকেরা। তারা বলছেন, এই ধরনের কাজ শুধুই হিংসা ছড়ায়, সমাধান এনে দেয় না।

কমেন্ট বক্স
রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল

রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল